ইপাসপোর্ট করার আগে হয়রানি থেকে বাঁচতে করণীয়
পাসপোর্ট করার আগে হয়রানি থেকে বাঁচতে করণীয়
👉জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) – অবশ্যই ভুলমুক্ত ও হালনাগাদ থাকতে হবে।
👉জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) – পিতা, মাতা স্বামী/স্ত্রী আইডির কপি সেম থাকতে হবে।
👉জন্ম নিবন্ধন সনদ – ডিজিটাল, ইংরেজিতে এবং রেজিস্টার্ড হওয়া চাই। (বয়স ২০ এর কম হলে)
👉এনআইডি ও জন্ম নিবন্ধনের ভেরিফায়েড কপি রাখুন।
👉শিক্ষাগত সনদ (যদি থাকে) – নাম ও জন্ম তারিখ মিলিয়ে দেখার জন্য কাজে লাগতে পারে।
👉পেশার প্রমান- ছাত্র, শিক্ষক, ব্যাবসায়ী, সরকারী চাকুরীজীবি।
👉ইউটিলিটি বিল বা ঠিকানার প্রমাণ – ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য।
👉সব ডকুমেন্টে নামের বানান, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম ও ঠিকানা একইরকম আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
ছবি তোলার দিনে সাদা জামা পরবেন না।
৬ বছরের নিচের বাচ্চাদের জন্য 3R সাইজের ছবি হাতে রাখুন।
আঙুলের ছাপ ও ছবির সময় সঠিক তথ্য দিন।
অনলাইনে আবেদন করুন
https://www.passport.gov.bd
নিজেই ফর্ম পূরণ করুন – প্রক্রিয়া সহজ এবং এতে সময় বাঁচবে।
প্রয়োজনে পাসপোর্ট অফিসের সহায়তা ডেস্ক থেকে সাহায্য নিন।
সব জমা দেওয়া কাগজের ফটোকপি ও স্ক্যান কপি নিজের কাছে রাখুন।
আবেদন নম্বর ও রসিদ ভালোভাবে সংরক্ষণ করুন। ফিঙ্গার হওয়ার পরে স্লিপ সংরক্ষন করুন।
কখনোই ভুয়া বা ভুল তথ্য দেবেন না।
ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হবে, এমনকি আইনি ঝামেলাও হতে পারে।
সরকারি নির্ধারিত ব্যাংক বা মোবাইল পেমেন্ট মাধ্যমেই ফি পরিশোধ করুন।
কাউকে নগদ টাকা দেবেন না।
অবশ্যই অফিসিয়াল রসিদ সংগ্রহ করুন।
প্রতিটি জেলায় পাসপোর্ট সহায়তা কেন্দ্র আছে – প্রয়োজনে সেখান থেকে সাহায্য নিন।
প্রয়োজনে কল/হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন: 01400-637264
পাসপোর্ট সংক্রান্ত পরামর্শ ও যে কোন প্রয়োজনে
হেল্প নিতে কল/হোয়াটসএ্যাপ করুনঃ 01400-637264
অফিসঃ ইপাসপোর্ট আবেদন কেন্দ্র ঢাকা, পল্টন চায়না টাউন, লিফট ৫, নয়া পল্টন, ঢাকা
.jpg)
.jpg)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন